1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. noushaduddin16@gmail.com : nowshad Uddin : nowshad Uddin
  3. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  4. nooruddinrasel@yahoo.com : nooruddin rasel : nooruddin rasel
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লক্ষিপাশা কমিউনিটি ক্লিনিকের হালচাল,সীমাহীন অনিয়ম ও দূর্নীতি,মানুষের ভোগান্তি চরমে! সিএইচসিপি দেলোয়ার হোসেন এর অনিয়ম-দূর্নীতির বিরুদ্ধে আসছে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন(পর্ব-০১) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ টস জিতে ব্যাটিংয়ে স্কটল্যান্ড সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বাড়ল ৭ টাকা ভয় নেই, আ’লীগ আছে রাজপথে: কাদের ফখরুল ইসলাম শাইস্তা’কে আওয়ামিলীগের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত করায় অভিনন্দন সাম্প্রদায়িক অস্থিতিশীলতাকারী দোষীদের শাস্তি দাবীতে ছাত্র অধিকার পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল কলেজছাত্রকে তুলে নিয়ে বিয়ে করলেন তরুণী বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শুরু

আমনেও হয়নি লক্ষ্যপূরণ, শেষ ভরসা আমদানি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট

ঢাকা: বোরোর পর আমন মৌসুমেও ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ সরকার। বাজারে ধান-চালের মূল্য বেশি থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে সীমিত হয়ে আসছে মজুতের পরিমাণ। সরকারের সামনে তাই শেষ ভরসা আমদানি।
বিজ্ঞাপন

খাদ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত বোরো মৌসুমে সরকার নির্ধারিত পরিমানে ধান-চাল সংগ্রহ করতে না পারায়, আমন মৌসুমে সাড়ে আট লাখ টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করতে চেয়েছিল। এরমধ্যে ২ লাখ টন ধান এবং সাড়ে ৬ লাখ চাল কেনার লক্ষ্য ঠিক করেছিল।

গত ৭ নভেম্বর শুরু হওয়া সংগ্রহ অভিযান শেষ হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৮ লাখ মেট্রিক টনের মধ্যে সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৬১ হাজার মেট্রিক টন। যা লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ৮ শতাংশ।

জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধান সংগ্রহ হয়েছে ৮ হাজার ২৭৪ মেট্রিক টন। সিদ্ধ চাল ৫২ হাজার ৫৫১ মেট্রিক টন এবং আতপ চাল সংগ্রহ হয়েছে ২ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন। গত বোরো মৌসুমে সাড়ে ১৯ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হলেও তার অর্ধেকও পূরন করা যায়নি।

চালকল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ অটো মেজর অ্যান্ড হাসকিং মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম লায়েক আলী বলেন, এবার বোরো-আমন দুই মৌসুমেই বাজারে চালের দাম বাড়তি ছিল। এ কারণে মিলাররা সরকারের ধান-চাল সংগ্রহে আগ্রহ দেখাননি।

এদিকে সরকারি গুদামে চালের মজুত তলানিতে নেমে গেছে। গত ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৬ দশমিক ৬৯ লাখ মেট্রিক টন চাল মজুত আছে। এরমধ্যে চাল ৫ দশমিক ২৮ লাখ মেট্রিক টন, আর গম ১ দশমিক ৪১ লাখ মেট্রিক টন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, একদিকে করোনাভাইরাস অন্যদিকে দফায় দফায় ঝড়-বন্যায় মজুতের ওপরে চাপ পড়েছে। আবার বোরো সংগ্রহও হয়নি। সব মিলিয়ে মজুত কমেছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার মজুত বাড়াতে বিভিন্ন দেশ থেকে ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির প্রক্রিয়া চালু রেখেছে।

খাদ্য সচিব ড. নাজমানারা খানুম জানান, বাজারে আমদানি করা চাল আসতে শুরু করেছে। দামও নিয়ন্ত্রণে এসে গেছে। এ পর্যন্ত যে পরিমান চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তা দিয়ে পরবর্তী মৌসুম পর্যন্ত চলে যাবে। কোনো ধরনের সংকট হবে না।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে আমন মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সাড়ে আট লাখ ধান চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সরকার। কেজি প্রতি ২৬ টাকা দরে ২ লাখ মেট্রিক টন ধান আর ৩৭ টাকা মূল্যে ৬ লাখ মেট্রিকটন চাল এবং ৩৬ টাকা দরে ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল কেনার কথা ছিল। সময় শেষ হয়ে এলেও মাত্র ৮ শতাংশের বেশি খাদ্যশষ্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগ্রহ করতে পারেনি খাদ্য অধিদফতর।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি