1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. noushaduddin16@gmail.com : nowshad Uddin : nowshad Uddin
  3. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  4. nooruddinrasel@yahoo.com : nooruddin rasel : nooruddin rasel
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:২৬ পূর্বাহ্ন

আলীনগরে সংঘর্ষ, মূলে রহস্যময় এক নারী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১

সরজমিন প্রতিবেদন :: বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নে এক মাস পর আবারো মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ১৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাতে ঘটেছে।
কি কারণে এই ঘটনা ঘটে তা জানতে আমাদের প্রতিনিধি দল আজ শানিবার বিকেলে সরজমিন ঘুরে এই প্রতিবেদন তৈরি করে।

জানা যায়,আলীনগর ইউনিয়নের হেতিমখানি গ্রামের আবুল কাশেমের রামদা বাজারস্থ অফিসে সন্ধ্যা বেলায় এক রহস্যময় নারীর আগমন ঘটে।বিষয়টি জানাজানি হলে তিনি ঐ মহিলাকে কাঠ মিস্ত্রি কামিল এর হাওলায় রেখে কিছু সময়ের জন্য গায়েব হয়ে যান।ঘন্টা দেড়েক পরে তিনি ঐ মহিলার কাছে গেলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে বকাঝকা শুরু করে। এক পর্যায়ে চারখাই পুলিশ পাড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লোকজন সরিয়ে দিলে ঘটনার রহস্য থেকে যায়।

চন্দগ্রমের ভবঘুরে ইসলাম উদ্দিন হেঁটে হেঁটে বলতে থাকে হেতিখানি গ্রামের আবুল কাশেম নাকি নারী নিয়ে খেলা শুরু করেছে। কাশেমের মান সম্মান বিনষ্ট করার অপরাধে সে ইসলাম উদ্দিনকে হেনস্তা করতে চাইলে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে এই সংঘর্ষ বাঁধে।

শুক্রবার রাতের এ সংঘর্ষ প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপি চলে। এতে করে সিলেট-জকিগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের রামদা বাজারের দুই পাশে শতশত গাড়ি আটকা পড়ে তীব্র যানযট সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষকারী উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের বেশ কয়েজন আহতও হয়েছেন।এ ঘটনায় দোকান পাট ও আসপাশের বাসা বাড়ির ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়।এর পর পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন,মাস পুরাতেই মাইকে ঘোষণা দিয়ে মারধর এখনকার যুগে লজ্জাজনক। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দুর্বলতার কারণে এমন হচ্ছে। কি কারণে সংঘর্ষ তা কেউ জানেনা,তারপরও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে!নিরপরাধ মানুষের জান মালের ক্ষতি করছে।
অপর এক ব্যক্তি বলেন,আমাদের ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিরা নিজের বলয় শক্ত করতে কিছু ইয়ে লালনপালন করে আসছেন।এতেকরে যে যা করার নয়,সে তা করে যাচ্ছে।যার ফলে ইউনিয়নের আইন শৃঙ্খলা বিনষ্ট হচ্ছে।মারধর করে এতো ব্যস্ততম একটি রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অধিকার তাদের কে দিল!সুদূর বড়লেখা থেকেও অনেক রোগী এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাওয়া আসা করে।আর আমরা আমাদের ক্ষমতা দেখানোর জন্য রাস্তা বন্ধ করে দেই।কেন আমরা এইসব মানবতা বিরোধী কাজ করি? এর পিছনে খোঁজ নিলে দেখা যাবে আমাদের জনপ্রতিনিধিদের হাত আছে।

হেতিমখানি গ্রামের মৃত আফতাব আলী খানের ছেলে লেইছ উদ্দিন খান শান্ত বলেন, গত কালকের এই ঘটনায় আমার দোকান ও বাসাবাড়ির প্রচুর ক্ষতি হয়েছে।স্থানীয় মুরব্বিগন ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিয়েছেন।আশা করি আমি সুবিচার পাবো।এবং আরো যাদের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তারাও ক্ষতিপূরণ পাবে।

গত কালকের এই ঘটনায় কোন মামলা হয়েছে কি না তা জানতে চাইলে স্থানীয়রা জানান, আলীনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ, লালন মিয়া মেম্বার, আবু বক্কর পাকি মিয়া,মৌনানা জুবায়ের মেম্বার, সুয়েব উদ্দিন খান,হারুন হেলাল চৌধুরী ও ইসমাইল আলী কুটি মিয়া প্রমুখ বিষয়টি আপোষ মিমাংসা করে দিতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি