1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. noushaduddin16@gmail.com : nowshad Uddin : nowshad Uddin
  3. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  4. nooruddinrasel@yahoo.com : nooruddin rasel : nooruddin rasel
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০১:১৭ অপরাহ্ন

চীন চাইলে আমরা টিকার কো–প্রডাকশনে যেতে পারি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১২ মে, ২০২১

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘আমাদের এই টিকা তৈরির সামর্থ্য আছে। আমরা তাদের (চীনের) সাহায্য নিয়ে এই টিকা তৈরি করতে পারি। চাইলে আমরা কো-প্রডাকশনে যেতে পারি। আমরা “র ম্যাটেরিয়াল” এনে ওই টিকা বাংলাদেশে তৈরি করতে পারি। আর এটা করা সম্ভব হলে তা দুই দেশের জন্যই উইন-উইন সিচুয়েশন থাকবে।’ চীনের কাছ থেকে পাওয়া সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ টিকা হস্তান্তর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং আনুষ্ঠানিকভাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের কাছে উপহারের এই টিকা হস্তান্তর করেন।

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই টিকা হস্তান্তর করা হয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমরা চীনের কাছ থেকে প্রথমেই টিকা পেতে চাইনি। কারণ, চীনের টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) অনুমোদিত ছিল না এবং আমাদের কিছু নীতিমালা আছে। ডব্লিউএইচওর অনুমোদন ছাড়া আমরা টিকা ব্যবহার করি না। এই নীতিমালা নতুন নয়। ফলে, আমরা দেরি করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আনন্দিত এ জন্য যে চীন আমাদের টিকা উপহার দিয়েছে। আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই। আমরা সামনে আরও টিকা পেতে কাজ করছি।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, ‘প্রায় এক বছর আগে আমরা বাংলাদেশের কাছ থেকে চিকিৎসাসংক্রান্ত সরঞ্জাম পেয়েছিলাম। তখন চীনের জন্য সেই সহযোগিতা খুব প্রয়োজন ছিল। ঠিক এই কক্ষেই সেই সাহায্য আমার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। আমি সেই সময় বলে বোঝাতে পারিনি যে আমরা বাংলাদেশের প্রতি কতখানি কৃতজ্ঞ।’

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আজ প্রায় এক বছর পর করোনাভাইরাসের মহামারি মোকাবিলায় আমরা আরেকটি মাইলফলক প্রত্যক্ষ করছি। চীনে করোনার টিকার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু এরপরও চীন সরকার তার বন্ধুরাষ্ট্র বাংলাদেশের সহযোগিতার জন্য হাত বাড়িয়েছে, সাহায্যের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।’ এই টিকা হস্তান্তরের সময় বাংলাদেশের নাগরিকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘এই দুঃসময়ে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও দেশটির নাগরিকদের ধন্যবাদ জানাই। আমরাও চীনের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম, যখন চীনের উহানের করোনা ছড়িয়েছিল।’

এর আগে, ভোর সাড়ে পাঁচটায় চীন থেকে সিনোফার্মের এই ভ্যাকসিনবাহী বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর বিশেষ ফ্লাইট সি-১৩০জে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

সিনোফার্ম ভ্যাকসিনটি চায়না ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ (সিএনবিজি)’র অঙ্গ-প্রতিষ্ঠান বেইজিং বায়ো-ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল প্রোডাক্টস কো. লি. উৎপাদন করেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জরুরি ব্যবহারের জন্য সিনোফার্মকে তালিকাভুক্ত করেছে।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি