1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. noushaduddin16@gmail.com : nowshad Uddin : nowshad Uddin
  3. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  4. nooruddinrasel@yahoo.com : nooruddin rasel : nooruddin rasel
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

ছাদে ছাদে নতুন বছরকে বরণ

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১ জানুয়ারী, ২০২১

নতুন বছরকে বরণ করার জন্য প্রতি বছরই দেশজুড়ে থাকে নানা আয়োজন। শহরের পাঁচ তারকা হোটেল থেকে শুরু করে বিভিন্ন রিসোর্ট বা ভ্রমণ স্থানগুলোতে থাকে নানা আয়োজন।

এই বছর করোনা মহামারীর কারণে সেসব আয়োজনে ছিলো কড়া নিষেধাজ্ঞা। তারপরেও বর্ষ বরণের কোনো আয়োজন থাকবে না তা কি করে হয়? তাই এবার বাড়ির বাহিরে যাওয়ার আদেশ না থাকায় শহরজুড়ে বাড়ির ছাদেই হয়েছে থার্টি ফাস্ট নাইটের পার্টি।

রাত ঠিক ১২টা থেকে পুরো শহরের প্রায় সব বাড়ির ছাদে আতশবাজিতে ২০২১ খ্রিস্টীয় নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে রাজধানীসহ দেশবাসী।

২০২১ সালের প্রথম প্রহর বরণে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার বহিঃপ্রকাশের মধ্যেই নতুন বছরে মহামারী মুক্তির প্রার্থনাও বড় হয়ে উঠেছে। ফেইসবুক পোস্টে মহামারী থেকে মুক্তি পাওয়ার আশাবাদই সবাই জানিয়েছেন।

ঘড়ির কাঁটা বৃহস্পতিবার রাত ১২টার কাছাকাছি আসতেই শুরু হয় পটকা ফাটানোর শব্দ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমশ তা বাড়তে থাকে।

অপেক্ষার প্রহর শেষে রাত ১২টা বাজতেই ফানুস-আতশবাজির আলোয় বর্ণিল হয়ে ওঠে ঢাকার আকাশ। প্রায় প্রতিটি ভবনের ছাদ থেকেই আতশবাজি ফাটাতে দেখা যায়। অনেক ভবনের ছাদে ছিল আলোকসজ্জাও।

প্রতি বছর থার্টি ফার্স্ট রাতে টিএসসিতে সমবেত হন তরুণরা, নেচে-গেয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানান তারা। তবে এবার মহামারীতে বাইরে সব ধরনের জমায়েত নিষিদ্ধ করায় ওই এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা কড়াকড়ি করে পুলিশ।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় টিএসসিতে বরাবরের মতো সেই উৎসব না হলেও শহীদ মিনার এলাকায় সমবেত হয়েছিলেন বেশি কিছু তরুণ।

বর্ষবরণের আতশবাজির তীব্রতা ঘণ্টাখানেক পরে কমে এলেও রাত ২টার সময়ও বিভিন্ন জায়গা থেকে থেমে থেমে পটকা ফাটানোর শব্দ পাওয়া যায়।

নতুন বছর উদযাপন নির্বিঘ্ন করতে ঢাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা কড়াকড়ি করে পুলিশ। বিভিন্ন সড়কের প্রবেশ পথে পুলিশ-র্যা বের তল্লাশি চৌকির সঙ্গে টহল দিতে দেখা যায়। নগরজুড়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, কূটনৈতিক এলাকা গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকা ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

মহামারীকালে ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে’ অনুষ্ঠান করায় পুলিশের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার প্রবেশপথ শাহবাগে ছিল কড়া পাহারা।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বর্ষবরণের রাতে তার এলাকার কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর আসেনি।
রাজধানীবাসী শান্তিপূর্ণভাবেই নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটনি।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে পুলিশের পক্ষ থেকে যে ধরনের বিধি-নিষেধ দেওয়া হয়েছে, তা ঠিকভাবে পালিত হয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি