1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন

জুনের মধ্যে সাড়ে পাঁচ কোটি ডোজ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০

আগামী বছরের জুনের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ডোজ টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ। রোববার ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওষুধ এবং টিকার জন্য স্থাপিত গবেষণাগার পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, সেরাম ইন্সটিটিউটের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী তিন কোটি এবং কোভ্যাক্সের আওতায় বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার কাছ থেকে আরও আড়াই কোটি টিকা পাওয়া যাবে।

তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দেবে মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ মানুষকে। তাতে করে মোট মিলিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি ভ্যাকসিন বাংলাদেশ জুনের ভেতরে পেয়ে যাচ্ছে। কোভ্যাক্সের প্রতিশ্রুত টিকা মে এবং জুন মাসের ভেতরে পাওয়ার আশা করছি।

ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি তিন কোটি ডোজ টিকার জন্য সরকারের ক্রয়চুক্তি হয়ে গেছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই টিকার জন্য ক্রয়াদেশও পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করতে পারি, জানুয়ারির শেষের দিকে অথবা ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম দিকে বাংলাদেশ অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন পাবে। যখনই অ্যাস্ট্রাজেনেকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পাবে, তখনই বাংলাদেশ সে ভ্যাকসিন পাবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত প্রতি মাসে ৫০ লাখ ডোজ টিকা দেবে বাংলাদেশকে। সে হিসাবে ৩ কোটি ডোজ টিকা আসতে লাগবে ছয় মাস। আর কোভেক্সের টিকাও একবারে দেবে না।

তিনি বলেন, আমরা প্রতি মাসে ২৫ লাখ মানুষকে টিকা দিতে পারব। সে হিসাবে অক্সফোর্ডের টিকা দিতে লাগবে ৬ ছয় মাস। সব মিলিয়ে সাড়ে পাঁচ কোটি টিকা দিতে প্রায় বছর খানেক সময় লাগবে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা পরিবহন ও সংরক্ষণের জন্য কোল্ড চেইনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, টিকা দেওয়ার জন্য যে স্থানীয় প্রস্তুতি, সেটাও আমরা যথাযথভাবে নিয়েছি। স্টোরেজ করেছি। টিকার তাপমাত্রা মেনটেইন করার জন্য কিছু বাড়তি কোল্ড বক্স লাগবে, সেটার ব্যবস্থাও হয়ে গেছে।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের ওষুধ এবং টিকা পরীক্ষার গবেষণাগার ঘুরে দেখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে নয়টি টিকা দেওয়া হয়, সেগুলো পরীক্ষা হয় এই গবেষণাগারে। করোনাভাইরাসের টিকাও পরীক্ষা হবে এখানে।

বাংলাদেশে ওষুধের মান পরীক্ষার জন্য স্থাপিত এই গবেষণাগার গত মার্চ মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদন পেয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান এসময় তার সঙ্গে ছিলেন।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি