1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৩৬ অপরাহ্ন

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

ঢাকা: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নাই বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।


বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘আন্তর্জাতিক নৌ দিবস-২০২২ উদযাপন’ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

নৌবাণিজ্য খাতের বিশিষ্ট পেশাজীবী ও অংশীজনদের নিয়ে নৌপরিবহন অধিদফতর এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের পেট্রোলিয়াম এন্ড মিনারেল রিসোর্স ইনজিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তামিম।


সেমিনারে বিষয়ভিত্তিক কারিগরি প্রবন্ধ উপস্থাপনার পাশাপাশি মেরিটাইমের পাঁচটি খাতে বিশেষ অবদানের জন্য মেরিটাইম অংশিজনদের মধ্য থেকে এ বছরের সেরা পাঁচ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ আইনের শাসনে বিশ্বাস করে। দেশের জনগণ সর্বোচ্চ আদালতকে সম্মান করে, শ্রদ্ধা করে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কেয়ারটেকার গভমেন্টের যে কনসেপ্ট, সেটাকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। সেখানে ফিরে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নাই। কারণ আইন বলে দিয়েছে এটা অবৈধ।


জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খাদ্য, শক্তি এবং পানির চাহিদা বাড়ছে, যা নৌ পরিবহন, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং সুনীল অর্থনীতির প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়ে তুলবে।

আনিসুল হক বলেন, পণ্য পরিবহনের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী পদ্ধতি হলো শিপিং। কেননা শিপিং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজতর করে। দেশের অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে বিরাট ভূমিকা পালন করে। ফলে বর্তমান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ নৌপথে পরিবহন করা হয়।


‘নিউ টেকনোলজিস ফর গ্রিনার শিপিং’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত সেমিনারে আইনমন্ত্রী বলেন, এবারের প্রতিপাদ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একটি টেকসই পরিবেশবান্ধব নৌ-বাণিজ্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিপাদ্যটিতে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বিশেষ করে এসডিজি ১৩ ও ১৪ তথা জলবায়ু, মহাসাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার, এসডিজি ৯ তথা শিল্প, উদ্ভাবন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন এবং এসডিজি ১৭ তথা লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারিত্ব এবং বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

নতুন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রতি গুরুত্বারোপ করে আইনমন্ত্রী বলেন, যত দ্রুততার সঙ্গে আমরা সঠিকভাবে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারব, আমাদের মেরিটাইম সেক্টর তত ভাল আর্থ-সামাজিকভাবে টেকসই হবে এবং আমাদের এসডিজির লক্ষ্যগুলি অর্জন এবং এর দ্বারা আমাদের জনগণ উপকৃত হবে। অন্যথায় আমরা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় অন্যান্য দেশের তুলনায় পিছিয়ে পড়ব।


আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য ও জাহাজ চলাচল সংক্রান্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন-কানুনসমূহ পরিপূর্ণভাবে প্রতিপালনের মাধ্যমে জাহাজ থেকে নির্গত কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব। সবাইকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এছাড়াও সেমিনারে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম, বুয়েটের অধ্যাপক মীর তারেক আলী, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. নিজামুল হক, ব্যুরো ভেরিটাস (বাংলাদেশ) এর কান্ট্রি ম্যানেজার মো. হারুনুর রশিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি