1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  3. sayefrahman7@gmail.com : Sayef Rahman : Sayef Rahman
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন

পুলিশের ‘সন্ত্রাস মোকাবিলা প্রকল্পে’ ধীরগতি, বাড়ছে ব্যয় ও মেয়াদ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩

ঢাকা: সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা প্রকল্পে বিরাজ করছে ধীরগতি। শুরু থেকে গত জুন পর্যন্ত মোট ক্রমপুঞ্জিত ব্যয় হয়েছে ৫৩ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ ৬৭ শতাংশ। বাস্তব অগ্রগতি ৬৩ শতাংশ। এ অবস্থায় বাড়ছে ব্যয় ও মেয়াদ। ফলে ৪ বছরের প্রকল্প বাস্তবায়নে যাবে ৫ বছর। এ জন্য ‘সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে।


পরিকল্পনা কমিশনের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সারাবাংলাকে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাওয়ার পর গত বছরের ২২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয় প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা। ওই সভায় দেওয়া সুপারিশগুলো প্রতিপালন করায় প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। অনুমোদন পেলে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন শেষ করবে বাংলাদেশ পুলিশ।’

প্রকল্পের সংশোধনী প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশকে প্রতিনিয়ত সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে হয়। প্রয়োজনীয় সুরক্ষিত যানবাহন ও লজিস্টিকসের অভাবে অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে কখনো কখনো কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এ জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিও জন্য ইকনোমিক অ্যান্ড সোস্যাল ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় জাপান সরকার ৫০০ মিলিয়ন ইয়েনের সমপরিমান অনুদান সহায়তা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে জাপান সরকারের অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর আওতায় পুলিশের অধীনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ৩৫টি স্পেশাল পারপাস ভেহিকল সংগ্রহের জন্য মূল প্রকল্পটি ৭৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়। ২০১৯ সালের জুলাই হতে ২০২১ সালের জুনে বাস্তবায়নের মেয়াদ ধরা হয়। প্রকল্পটি ২০১৯ সালের ২৫ জুন একনেক সভায় অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন মেয়াদ ব্যয় বৃদ্ধি ছাড়া আরও এক বছর অর্থাৎ ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়।’


প্রকল্পের মূল কার্যক্রম হচ্ছে, ১২টি আর্মড ভেহিকল, ২০টি এস্কট ভেহিকল এবং ৫টি ফ্লাডলাইট ভেহিকল কেনা।

প্রকল্প সংশোধনের কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, মূল উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) প্রকল্পের আওতায় সংগৃহীত সবগুলো ভেহিকলকে স্পেশাল পারপাস ভেহিকলস হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়ন পর্যায়ে শুল্ক কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম বন্দর সিডি বা ভ্যাট আরোপের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ফ্লাডলাইট ভেহিকলকে স্পেশাল পারপোজ ভেহিকলস হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে।


এক্ষেত্রে ভেহিকল ও এস্কট ভেহিকলকে ‘বেজ ভেহিকল’ হিসাবে বিবেচনায় নিয়ে সে অনুযায়ী এগুলোর অনুকূলে সিডি বা ভ্যাট ধার্য করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে প্রকল্পটির ভ্যাট খাতে ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ব্যয় অন্তর্ভুক্ত করে প্রকল্প সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভৌত অবকাঠামো বিভাগের সাবেক সদস্য সচিব ও বর্তমান পরিকল্পনা সচিব সত্যজিত কর্মকার সারাবাংলাকে বলেন, ‘এটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা ও জননিরাপত্তা করা সম্ভব হবে। তাই প্রকল্পটির সংশোধন প্রস্তাব অনুমোদনযোগ্য।’

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি