1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন

রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে বিশ্বে সপ্তম বাংলাদেশ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ জুন, ২০২২

ঢাকা: শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম উচ্চ রেমিট্যান্স অর্জনকারী দেশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরে রেমিট্যান্স হিসেবে ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জিত হয় এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে এটি রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। সেই সুবাদে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে বিশ্বে সপ্তম স্থান অধিকার করে বাংলাদেশ।


বুধবার (১৫ জুন) একাদশ জাতীয় সংসদের ১৬তম অধিবেশনে পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুস্তম আলী ফরাজী’র এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২১-২০২২ অর্থবছরে রেমিট্যান্স কিছুটা হ্রাস পেয়েছে এবং জুলাই-এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসে ১৭ দশমিক ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জিত হয়েছে, যা পূর্ববর্তী অর্থ-বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কম। বিগত ২০১৯-২০, ২০১৮-২০১৯ ও ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের রেমিট্যান্সের গড় ছিল ১৩.৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।’


শেখ হাসিনা বলেন, ‘সুতরাং দেখা যাচ্ছে, কোভিড পূর্ববর্তী তিন বছরের প্রথম ১০ মাসে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের গড় ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে প্রাপ্ত রেমিট্যান্সের চেয়ে ২৮ দশমিক ৯১ শতাংশ বেশি। কাজেই, চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স হ্রাস পেয়েছে না বলে বলা যেতে পারে, রেমিট্যান্সের প্রবাহ কোভিড পূর্ববর্তী স্বাভাবিক ধারায় ফিরতে শুরু করেছে।’

তিনি বলেন, ‘চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে বিগত ২০২০২১ অর্থবছরের তুলনায় প্রবাস আয় হ্রাসের কারণ হচ্ছে- ২০২০-২১ অর্থবছরে শুরুতে কোভিড অতিমারিতে প্রবাসীরা এক ধরনের অনিশ্চয়তা থেকে তাদের জমানো টাকা দেশে পাঠিয়েছিলেন। অনেকে চাকরি হারিয়ে কিংবা ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ করে সব অর্থ দেশে নিয়ে এসেছেন। এখন পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। অনেক প্রবাসী নতুন করে ব্যবসা শুরু করতে গিয়ে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানো কমিয়ে দিয়েছেন।’


তিনি জানান, বাংলাদেশের অর্থনীতি কোভিড-১৯ অতিমারিকে সফলভাবে মোকাবিলা করে স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসলেও বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রধান প্রধান দেশের অর্থনীতিগুলো এখনও স্বাভাবিক ধারায় ফিরে আসেনি। ফলে ওই দেশগুলোহে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের প্রবাস আয় তুলনামূলকভাবে কম থাকায় রেমিট্যান্স পাঠানো কমেছে মর্মে প্রতীয়মান হচ্ছে।

সংসদ নেতা বলেন, ‘করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ-যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল হয়েছে। ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরেও অর্থের লেনদেন বেড়ে যাওয়ায় রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার কারণ হতে পারে মর্মে প্রতীয়মান হচ্ছে।’


জনশক্তি রফতানি বৃদ্ধি ও বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বাড়ানো সম্ভব হবে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জনশক্তি রফতানি বৃদ্ধি ও বৈধ পথে প্রবাস আয় পাঠানোকে আকর্ষণীয় করে তোলার মাধ্যমে পুনরায় রেমিট্যান্স প্রবাহ জোরদার করতে সরকার বিভিন্ন পরিকলপনা গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

সংসদে জানানো হয়, ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ অতিমারি সত্ত্বেও ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৬৯ জন বাংলাদেশি কর্মীর বৈদেশিক কর্মসংস্থান হয়েছে। ২০২২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম চার মাসে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৫৮ জন কর্মী নিয়োগ পেয়েছে। এ বছরের অবশিষ্ট সময়ে প্রবাসে নিয়োগের এই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকবে। ফলে আগামীতে রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে উল্লেখ করেন সরকার প্রধান।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি