1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ১০:৫৮ অপরাহ্ন

সোনা ব্যবসায় বাধা নেই সাকিবের ২ কোম্পানির

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০২২

ঢাকা: তারকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের দুই প্রতিষ্ঠান ‘রিলায়েবল কমোডিটি এক্সচেঞ্জ কোম্পানি’ও ‘বুরাক কমোডিটি এক্সচেঞ্জ কোম্পানি’র সোনা ব্যবসায় কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সাকিবের দুই প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল, সে বিষয়ে তাদের ব্যাখ্যায় পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি সন্তুষ্ট বলেও জানিয়েছে।


বুধবার (২৫ মে) সাকিবের মালিকানাধীন দুই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) এ সংক্রান্ত চিঠি দিয়েছে বিএসইসি। দুই প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো আলাদা আলাদা চিঠিতে সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন বলছেন, গত ২২ মে তারা কমিশনের কাছে লিখিত আকারে যে ব্যাখ্যা দিয়েছে, সেটি সন্তোষজনক।

একইসঙ্গে দুই চিঠিতেই বলা হয়েছে, কমোডিটি ফিউচার কন্ট্রাক্ট বা ভবিষ্যৎ মূল্য নির্ধারণের (স্পট ছাড়া) মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে তাদের কমিশনের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। তাই এ ধরনের বিভ্রান্তি এড়াতে প্রতিষ্ঠান দুইটিকে শিরোনাম থেকে ‘কমোডিটি এক্সচেঞ্জ’ শব্দটি বাদ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিএসইসি’র চিঠিতে।

প্রতিষ্ঠান দুইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো চিঠির অনুলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।


এর আগে, সাকিবের মালিকানাধীন দুই প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে এক্সচেঞ্জ কোম্পানি থাকায় তাদের ব্যবসা সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠি দেয় বিএসইসি। বিএসইসি’র কমিশনার শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, প্রতিষ্ঠান দু’টির নামের সঙ্গে এক্সচেঞ্জ কোম্পানি থাকায় কিছুদিন আগে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) তাদের সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল। সেই অনুরোধে আমরা পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে তাদের কাছে ব্যবসা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম।

২৫ মে’র মধ্যে বুরাক কমোডিটিজ এক্সচেঞ্জ কোম্পানি ও রিলায়েবল কমোডিটিজ এক্সচেঞ্জ কোম্পানিকে চিঠির জবাব দিতে বলা হয়। দুই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গত ২২ মে বিএসইসিতে চিঠির জবাব দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেক রহমান। জবাবে জানানো হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েই জুয়েলারি ব্যবসা পরিচালনা করছে দুই কোম্পানি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) নীতিমালা মেনে বর্তমান বাজার দরে খুচরা ক্রেতাদের কাছে সোনা বিক্রি করছেন। তাই তাদের ব্যবসার কর্মপরিধির সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কোনো আইন বা বিধানের পরিপন্থি নয়।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি