1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. noushaduddin16@gmail.com : nowshad Uddin : nowshad Uddin
  3. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  4. nooruddinrasel@yahoo.com : nooruddin rasel : nooruddin rasel
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন

স্মার্টফোন কিনতে ঋণ পাবেন ৪১৫০১ শিক্ষার্থী

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২০

করোনাকালীন অনলাইন শিক্ষার জন্য আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন কিনতে সুদবিহীন ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।’

দেশের ৩৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪১ হাজার ৫০১ জন শিক্ষার্থীকে জনপ্রতি সর্বোচ্চ আট হাজার টাকা প্রদান করা হবে।

এই অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বার্ষিক বরাদ্দের বিপরীতে অগ্রিম হিসেবে সংশ্লিষ্ট খাতে সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ দেয়া হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে বুধবার অনলাইন প্লাটফর্মে আয়োজিত এক সভায় শিক্ষার্থীদের স্মার্টফোন ক্রয়ে সুদবিহীন ঋণ দেয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘এই উদ্যোগের মাধ্যমে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীরা বর্তমান সময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে। এটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্যোগে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনলাইন শিক্ষায় আরও বেশি মনোযোগী হবে। তারা শিক্ষা জীবনের ক্ষতিও পুষিয়ে নিতে পারবে।’

সভায় সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কর্তৃক গঠিত ‘সফটলোন অনুমোদন কমিটির সুপারিশের আলোকে অনধিক আট হাজার টাকা শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৩১ জানুয়ারির ২০২১-এর মধ্যে বরাদ্দ দেয়ার কথা বলা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর কিংবা অধ্যয়নকালীন চারটি সমান কিস্তিতে বা এককালীন তারা এই ঋণ পরিশোধ করতে পারবে।

এর আগে করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতির কারণে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে ৯ আগস্ট দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্মার্টফোন কিনতে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীর তালিকা চেয়ে উপাচার্যদের নিকট পত্র দেয় ইউজিসি। এরই প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ যাচাই-বাছাই করে সর্বমোট ৪১ হাজার ৫০১ জন অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীর তালিকা কমিশনে পাঠায়।

তালিকায় আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ সংখ্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৫৫৬ জন (১৯.৮৯ শতাংশ) এবং সর্বনিম্ন সংখ্যা খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ হাজার ৮৬০ জন (৩.৩৬ শতাংশ)।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, জনসংযোগ ও তথ্য অধিকার বিভাগের পরিচালক ড. শামসুল আরেফিন এবং অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহ আলম যুক্ত ছিলেন।

এ সময় কার্যপত্র উপস্থাপন করেন কমিশনের অর্থ ও হিসাব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি