1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. noushaduddin16@gmail.com : nowshad Uddin : nowshad Uddin
  3. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  4. nooruddinrasel@yahoo.com : nooruddin rasel : nooruddin rasel
বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৪৮ অপরাহ্ন

সড়কে বেড়েছে দুর্ঘটনা, ৫ হাজার ৪৩১ জনের প্রাণহানি

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২১

ঢাকা: গত ২০২০ সালে সারাদেশে ৪৭৩৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ৫ হাজার ৪৩১ জন। এসব দুর্ঘটনা আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৩৭৯ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৮৭১ ও শিশু ৬৪৯ জন। শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞাপন

দেশের ৭টি জাতীয় দৈনিক, ৫টি অনলাইন নিউজপোর্টাল এবং ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনায় বলা হয়, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে ০.৮৯ শতাংশ, প্রাণহানি বেড়েছে ৪.২২ শতাংশ এবং আহতের মাত্রা বেড়েছে ৩.৮৮ শতাংশ। ২০২০ সালে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেড়েছে ১৫.৮৯ শতাংশ এবং প্রাণহানি বেড়েছে ৫৪.৮১ শতাংশ।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ১৮১১টি (৩৮.২৪%) জাতীয় মহাসড়কে, ১৬০৫টি (৩৩.৮৯%) আঞ্চলিক সড়কে, ৬১৭টি (১৩.০৩%) গ্রামীণ সড়কে, ৬৪৪টি (১৩.৬০%) শহরের সড়কে এবং অন্যান্য স্থানে (ফেরিঘাট, নদীর তীর, ফসলের মাঠ, ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ মাঠ) ৫৮টি (১.২২%) সংঘটিত হয়েছে। বিজ্ঞাপন

সড়কে বেড়েছে দুর্ঘটনা, ৫ হাজার ৪৩১ জনের প্রাণহানি

দুর্ঘটনাসমূহের ১১১৪টি (২৩.৫২%) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১২৫৫টি (২৬.৫০%) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১৫৭৩টি (৩৩.২২%) পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেওয়া, ৭০৯টি (১৪.৯৭%) যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৮৪টি (১.৭৭%) অন্যান্য কারণে ঘটেছে। বিজ্ঞাপন

এতে আরও বলা হয়, বছরব্যাপী ১৩৭৮টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৪৬৩ জন, যা মোট নিহতের ২৬.৯৩ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ২৯.১০ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৫১২ জন পথচারী নিহত হয়েছে, যা মোট নিহতের ২৭.৮৪ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৬৮৩ জন, অর্থাৎ ১২.৫৭ শতাংশ।

বছরব্যাপী ১১৯ টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২৭২ জন নিহত, ১৩৭ জন আহত এবং নিখোঁজ ৬২ জন। ১০৮টি রেলপথ দুর্ঘটনায় নিহত ২২৮ জন এবং আহত ৫৪ জন। বিজ্ঞাপন

সড়কে বেড়েছে দুর্ঘটনা, ৫ হাজার ৪৩১ জনের প্রাণহানি

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাসমূহের বেশিরভাগই ঘটেছে সকালবেলায় (৩২.৮৮%)। এছাড়া ভোরে ৫.২৩%, দুপুরে ১৪.৩৬%, বিকালে ২০.০৪%, সন্ধ্যায় ৯.৭৫% এবং রাতে ১৭.৭১% দুর্ঘটনা ঘটে। বিজ্ঞাপন

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান বলছে, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ২৫.৫২%, প্রাণহানি ২৫.০৮%, রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১৫.৫৭%, প্রাণহানি ১৫.১৯%, চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ১২.৮৬%, প্রাণহানি ১৩.৬৪%, খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ১১.৭৮%, প্রাণহানি ১১.৭৭%, ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ১০.১৯%, প্রাণহানি ১০.৭৬%, বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৯.১১%, প্রাণহানি ৮.১১%, রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ৮.০৪%, প্রাণহানি ৮.৪১%, এবং সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৬.৮৮%, প্রাণহানি ৭% ঘটেছে। অর্থাৎ ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে।

একক জেলা হিসেবে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। সবচেয়ে কম মেহেরপুর জেলায়।

সড়কে বেড়েছে দুর্ঘটনা, ৫ হাজার ৪৩১ জনের প্রাণহানি

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, সড়ক পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। পরিবহন খাতের এই নৈরাজ্য ও অব্যবস্থাপনা দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থ রাজনীতির ধারাবাহিক চর্চার কারণে গড়ে উঠেছে। এখানে অনেকগুলো কারণ জড়িয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়েছে। তবে প্রধান ও উৎস কারণ- দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির তথাকথিত রাজনীতি। তাই সমস্যাটির সমাধান করতে হলে সরকারকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। দেশের সুসম ও টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো সাশ্রয়ী ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা। সেজন্য জাতীয় স্বার্থেই সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের মনোযোগী হওয়া উচিত।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি