1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. noushaduddin16@gmail.com : uddin : uddin uddin
  3. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  4. nooruddinrasel@yahoo.com : nooruddin rasel : nooruddin rasel
  5. sultansumon2050@gmail.com : Sultan Sumon : Sultan Sumon
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন

সনদ নবায়নের আবেদনই করেনি ২৫ শতাংশ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

ঢাকা: সারাদেশে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ শতাংশ হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টারের লাইসেন্স নবায়ন করা হয়েছে। এখনও প্রায় ২৫ শতাংশ বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদনই করেনি। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে চলতি মাসেই তালিকা নিয়ে সারাদেশে অনুমোদিত এবং অননুমোদিত বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর পরিদর্শন শুরু করা হবে। বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদফতরের সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে ১১ হাজার ৯৩৯টি বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক আছে। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে তিন হাজার ৫৩৫টি, চট্টগ্রাম বিভাগে দুই হাজার ২৩২টি, খুলনা বিভাগে এক হাজার ৫২৩টি, রাজশাহী বিভাগে এক হাজার ৪৩৮টি, রংপুর বিভাগে এক হাজার ৯৯টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬৩টি, বরিশাল বিভাগে ৬০৩টি ও সিলেট বিভাগে ৫৪৬টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান আছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৮৩০টি স্বাস্থ্যসেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান (৩৭.১৯ শতাংশ) লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদনই করেনি। ঢাকা বিভাগে ৬৪২টি প্রতিষ্ঠান (১৮.১৬ শতাংশ) লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেনি। ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৬৫টি (৪৮.২৯ শতাংশ) প্রতিষ্ঠান এখনও লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করনি। রাজশাহী বিভাগে ৩৪৯টি (২৪.২৭ শতাংশ), সিলেট বিভাগে ১৪৫টি (২৬.৫৬ শতাংশ), রংপুর বিভাগে ২৪৬টি প্রতিষ্ঠান (২২.৩৮ শতাংশ) ও খুলনা বিভাগে ১৭৫টি (১১.৪৯ শতাংশ) স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদনই করেনি। এ ছাড়াও বরিশাল বিভাগে ৬৪টি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেনি। বিজ্ঞাপন

এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছে দুই হাজার ৮৯৩টি প্রতিষ্ঠান (৮১.৮৪ শতাংশ)। চট্টগ্রাম বিভাগে আবেদন করেছে এক হাজার ৪০২টি প্রতিষ্ঠান (৬২.৮১ শতাংশ)। খুলনা বিভাগে এক হাজার ৩৪৮টি (৮৮.৫১ শতাংশ), রাজশাহী বিভাগে এক হাজার ৮৯টি (৭৫.৭৩ শতাংশ), রংপুর বিভাগে ৮৫৪ টি (৭৭.৭১ শতাংশ), ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৯৮টি (৫১.৭১ শতাংশ) প্রতিষ্ঠান লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেছে। এছাড়াও বরিশাল বিভাগে ৫৩৯টি (৮৯.৩৯ শতাংশ) ও সিলেট বিভাগে ৪০১টি (৭৩.৪৪ শতাংশ) বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে।

অন্যদিকে বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৯ হাজার ২৪টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করলেও এর মাঝে লাইসেন্স নবায়ন হয়েছে ৬ হাজার ৬৭টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে দুই হাজার ১৩০টি হাসপাতাল, তিন হাজার ৮৫৬টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ৮১টি ব্লাড ব্যাংক আছে। আবেদনকারী বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিকাংশ ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। এ সব প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন শেষে তাদের লাইসেন্স নবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্র। এ ছাড়াও আবেদনকারী কিছু প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে বলেও জানা গেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে। বিজ্ঞাপন

লাইসেন্স নবায়ন বিষয়ে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কর্মকর্তা ডা. শেখ ফজলে রাব্বী সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমার জেলা আওতাধীন এলাকায় ৫৮০টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অধিকাংশই ইতোমধ্যেই আবেদন করেছে লাইসেন্স নবায়নের জন্য। এর মধ্যে ১৫০টি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম ইতোমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে পরিদর্শন করে খুব দ্রুতই সেগুলোর লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।’

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল বিভাগের পরিচালক ডা. ফরিদ মিঞা সারাবাংলাকে বলেন, ‘লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া চলছে। আমরা আশা করব, খুব দ্রুতই দেশের সকল স্বাস্থ্যসেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান এই লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। লাইসেন্স ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে দেওয়া হবে না। খুব দ্রুতই স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে আমরা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে পরিদর্শন শুরু করব। এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। আমাদের সীমিত জনবল দিয়েও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাবো দেশের জন্য কাজ করে যেতে।’ বিজ্ঞাপন

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলম বলেন, ‘১০ নভেম্বর একটি ইমার্জেন্সি মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যেক বিভাগীয় পরিচালককে তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাদের এলাকার মোট লাইসেন্স এবং আন-লাইসেন্সের লিস্ট দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। আমরা এরপরে সবগুলো স্বাস্থ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করতে একটা জরুরি মিটিং করেছি। এরইমধ্যে আমরা একটা কমিটি করেছি। প্রত্যেক এলাকার সিভিল সার্জনদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনও থাকবে। কারণ, আমরা একা এটা করতে পারব না, এটার সঙ্গে প্রশাসন লাগবে, পুলিশের সাহায্য লাগবে, আইন প্রয়োগকারী ম্যাজিস্ট্রেটের সাহায্য লাগবে। তাদের নিয়ে আমরা এটা করতে পারব। আশা করছি এ মাসের মধ্যে শুরু করতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের যে পরিমাণ জনবল দরকার সেটি নেই। আমি কোনো অজুহাত দিতে চাই না। তারপরও আমি চেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা চাচ্ছি বিভাগ, জোন ওয়াইজ বের করে এ ধরনের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার (অননুমোদিত) করতে হবে।’

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি