1. hmgrobbani@yahoo.com : admin :
  2. noushaduddin16@gmail.com : uddin : uddin uddin
  3. news@soroborno.com : Md. Rabbani : Md. Rabbani
  4. nooruddinrasel@yahoo.com : nooruddin rasel : nooruddin rasel
শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৩:৫১ অপরাহ্ন

সিলেটে অ্যাপসহীন মোটর সাইকেল যাত্রা : ভাড়া নৈরাজ্য

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২০

সিলেটে চলছে পরিবহন ধর্মঘট। চলছে না দুর পাল্লার বাস। জেলার প্রতিটি সড়ক মহাসড়কে গাড়ি থামাচ্ছেন শ্রমিকরা। ফলে চরম দূর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ জনগণ। কিন্তু সেই সুযোগে অ্যাপস ছাড়াই চুক্তিতে যাত্রী পরিবহন করছেন রাইড শেয়ারিংয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা মোটরসাইকেল চালকরা। ওই সকল চালকরা বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে নিয়েছেন অবস্থান। প্রথমে কেউ দেখে মনে করবেন হয়তোবা মোটর সাইকেলগুলো জড়ো হয়েছে কোন মিছিল অথবা বর যাত্রী যাওয়ার জন্য। কিন্তু তাদের সামনে গেলে পাওয়া যায় ভিন্ন রুপ। ওই সকল মোটরসাইকেল চালকরা বাস কিংবা সিএনজি অটোরিক্সার মতো ডেকে ডেকে যাত্রী নিচ্ছেন। 


এজন্য তারা অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছেন যাত্রীদের কাছ থেকে। অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ে যাত্রী ও মোটরসাইকেল চালকদের মধ্যে হচ্ছে বাক-বিতন্ডা। আবার অনেকেই ধর্মঘটের কারণে ভোগান্তি লাগবে বেশি ভাড়া দিয়েও যাচ্ছেন গন্তব্যে। অথচ অ্যাপস ব্যবহারের মাধ্যমে যাত্রী না উঠে মৌখিক চুক্তির ভিত্তিতে চড়ে বসা যাত্রী বা চালক উভয়ই অপরিচিত থাকায় কারও তথ্যই কারও কাছে থাকছে না। এতে করে দুজনই বিপদ নিয়ে চলাচল করছেন সড়কে।


নগরের উপশহর পয়েন্ট থেকে গোয়ালাবাজারে যাওয়ার জন্য গাড়ির অপেক্ষায় ছিলেন ব্যাংক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রুম্মান, তিনি পাঠাও-উবারের অ্যাপস ব্যবহারও করেন। অন্যদিন যেখানে রিকোয়েস্ট পাঠানোর সাথে সাথে মোটরসাইকেল হাজির হতো, আজ সেখানে রিকোয়েস্ট গ্রহণই হচ্ছে না বলে জানান তিনি। পরে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে মোটরসাইকেল করে অফিসে যান তিনি। 


এদিকে, সিলেট নগরের উপশহর পয়েন্ট থেকে শিবগঞ্জ পয়েন্টে অ্যাপসে ভাড়া আসে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। সেখানে দ্বিগুণ ৫০ টাকা দিয়ে যাতায়াত করছেন রাইড নেয়া যাত্রীরা। এদিকে সিলেটের রাইডাররা মোটরবাইক নিয়ে ট্রিপ দিচ্ছেন মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ পর্যন্ত সেখানে ভাড়া হাঁকানো হচ্ছে ৮০০ থেকে ২৫০০টাকা পর্যন্ত। এছাড়া শেরপুর পর্যন্ত রাইডাররা চাচ্ছেন ৩০০ থেকে ৮০০ পর্যন্ত।


সিলেট নগরের বিভিন্ন স্থানে থাকা মোটরসাইকেল চালকদের অবস্থান করতে দেখা গেছে। তারা সবাই রাইড শেয়ারিংয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেলো তাদের কেউ অ্যাপসে ভাড়ায় যাবেন না। চুক্তিতে যাবেন।


দক্ষিন সুরমা এলাকার চন্ডিপুল এলাকায় যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করা রাইডচালক ফারুক হোসেন বলেন, দুই টাকা বেশি কীভাবে আয় হবে সে চিন্তা করি। চুক্তিতে ট্রিপ মারলে যাত্রী পাওয়া যায় বেশি, ভাড়াও বেশি। একই অবস্থা অন্য সব রোডেও। সবমিলিয়ে ধর্মঘটে যানবাহন না থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে জনসাধারণকে।


প্রসঙ্গত, পাথর কোয়ারি খুলে দেয়ার দাবিতে মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মঘট শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত চলবে। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি